বাঙালির রকমারি পুলি পিঠা রেসিপি







পিঠা খেতে আমাদের সবারই ভালো লাগে। আমাদের দেশে বহু কাল আগে থেকে এই উৎসব হয়ে আসছে।কিছু দিন পর আবার শীত কাল আসছে আবার এই পিঠা উৎসব শুরু হবে।আমাদের দেশে এটা একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। শীতের সময় আমাদের দেশে অনেক রকমের পিঠা তৈরি হয়। এর মধ্যে বেশি জনপ্রিয় পিঠা হলো দুধ চিতই, ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, সই পিঠা, পুলি পিঠা ইত্যাদি। আজকে আমরা পুলি পিঠা নিয়ে আলোচনা করব।

  • পুলি পিঠা  তৈরির উপাদানগুলো কী

  • পুলি পিঠা বিভিন্ন রকমের  হয়

  • পুলি পিঠার প্রচলন কবে থেকে শুরু হয়

  • পুলি পিঠার জনপ্রিয়তা কেমন

  • পিঠা তৈরির প্রনালি


 ★পুলি পিঠা  তৈরির উপাদানগুলো হলোঃ

  1. চালের গুঁড়ি 
  2. নারকেল
  3. দুধ
  4. খেজুরের গুড়
  5. এলাচি
  6. দারচিনি 
  7. তেজপাতা
  8. চিনি
  9. আটা
  10. কিশমিশ
  11. লবন

★পুলি পিঠা বিভিন্ন রকমের হয়।  যেমন -

  • দুধ পুলি
  • ভাপা পুলি
  • ভাজা পুলি
  • ডিজাইনার পুলি পিঠা 
  • রসপুলি পিঠা 
  • ভর্তা পুলি পিঠা 

★পুলি পিঠার প্রচলন কবে থেকে শুরু হয় -

প্রাচীন কাল থেকে আমাদের দেশে পিঠা তৈরি  রেওয়াজ রয়েছে। তবে বেশি জনপ্রিয় পিঠা হল দুধ পুলি পিঠা। ধারনা করা হয় অনেক আগে থেকে এই পিঠা তৈরি করা হত। এই পিঠা স্বাদে অনেক বেশি হয়। খেতে অনেক মজা লাগে খুব সহজে তৈরি করা যায় এই পিঠা। 


★পুলি পিঠার জনপ্রিয়তা কেমন-

পুলি পিঠার জনপ্রিয়তা অন্য পিঠা থেকে অনেক বেশি। কারন পুলি পিঠা ছোট বড়ো সকালেই খেতে পারে। আর এটার স্বাদ অন্য পিঠা থেকে অনেক বেশি এতে নারকেল থাকে। তই এটি এত জনপ্রিয়। 


★প্রনালিঃ

আজ আমরা দুধ পুলি পিঠা তৈরি করব।  প্রথমে নারকেল দিয়ে পুর তৈরি করে নিতে হয়।আর এই পুরে যোগ  করতে  হয় নারকেল, গুড়, চিনি, দারচিনি,  এলাচি, তেজপাতা, দুধ লাগে। তার পর চালের গুঁড়ি দিয়ে আটার মতো ডো বানাতে হবে। এরপর আটা দিয়ে বানানো ছোট রুটির মধ্যে নারকেলের পুর দিয়ে দিতে হবে। তারপর পিঠায় বিভিন্ন রকমের নকশা তৈরি করতে হবে। এরপর এই নকশা করা  পিঠাগুলো রান্না করতে হবে। আর রান্না  করার সময়  এতে লাগবে দুধ,পানি, গুড়, চিনি, লবন, তেজপাতা,এলাচি, দারচিনি  দিয়ে ভালো ভাবে  জ্বাল করে নিতে হবে তারপর ঐ রসের ঘোলাতে নকশা করা পিঠা দিয়ে দিতে হবে। তারপর ৪-৫ মিনিট  রান্না করতে হবে। অবশেষে রান্না হয়ে গেল দুধ পুলি পিঠা। এর পর সুন্দর করে পরিবেশন করতে হবে। এই পিঠা খেতে খুবই সুস্বাদু হয় এবং  সকলে পছন্দ  করে। 


★ভাপা পুলি পিঠা তৈরির প্রনালিঃ

ভাপা পুলি পিঠা তৈরি করতে এই সবই উপকরণ লাগে। যেমন - নারকেল, গুড়, দুধ, দারচিনি,  এলাচি, লবন, গুড়া দুধ, সামান্য চিনি এগুলো দিয়ে  পুর তৈরি করে নিতে হবে।  তারপর একটা প্যানে দুই কাপ পানি দিতে হবে।  পানি  গরম হলে তাতে সামান্য লবন দিতে হবে তারপর চালের গুঁড়ি দিয়ে দিতে হবে তারপর ভালো করে নারাচারা করতে হবে। তারপর  নামিয়ে নিতে হবে পাতিল থেকে  তারপর ভালো করে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে। আটা দিয়ে ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিয়ে তার মধ্যে পুর দিয়ে সুন্দর করে নকশা করে দিতে হবে। এছাড়া বতর্মানে পুলি পিঠা তৈরি করার জন্য খাচ কিনতে পাওয়া যায়। আগে মানুষ হাত দিয়ে পুলি পিঠার নকশা তৈরি করতো।তবে হাত দিয়ে পুলি পিঠা তৈরি করা সহজ।তারপর চুলায় পাতিলে পানি দিয়ে গরম করে নিতে হবে তারপর উপর পাতিলের উপর ছাকনি দিয়ে দিতে হবে তারপর একটা সুতি কাপড় দিয়ে দিতে হবে তারপর উপর পিঠা গুলো দিয়ে দিতে হবে কিছুখন জ্বাল দিতে হবে তারপর পর পিঠা গুলো নামিয়ে নিতে হবে। এরপর সুন্দর করে পরিবেশন করতে হবে। এই পিঠা খেতে খুবই মজা লাগে ছোটো বড় সকলেই এই পিঠা পছন্দ করে  তবে এই পিঠা তৈরি করতে বেশি সময় বা বেশি  উপকরণ লাগে না। অল্প খরচে তৈরি করা যায় এই মজাদার পিঠা। এই পিঠা শীত কালে বেশি তৈরি করা হয়। এই পিঠা সব এলাকার মানুষ  তৈরি করে খায়।


★ভাজা পুলি পিঠা তৈরির প্রনালিঃ

ভাজা পুলি পিঠা অনেকে পছন্দ করে। ভাজা পুলি পিঠা তৈরি করতে লাগে নারকেল, দুধ, গুড়, চিনি, লবন, এলাচি, দারচিনি, তেজপাতা, গুড়া দুধ এগুলো দিয়ে তৈরি করে নিতে হবে নারকেলের পুর। তারপর পাতিলে পানি গরম করে নিতে হবে তারপর গরম পানিতে আটা বা চালের গুঁড়ি দিয়ে দিতে হবে কিছুখন জ্বাল করার পার আটা নামিয়ে নিতে হবে। তারপর ভালো করে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে। তারপর ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিতে হবে তার মধ্যে পুর দিয়ে সুন্দর করে নকশা তৈরি করে নিতে হবে এভাবে অনেক গুলো পিঠা তৈরি করে নিতে হবে তারপর একটা প্যানে পরিমান মতো তেল দিয়ে দিতে হবে কিছুখন জ্বাল করে নিতে হবে তারপর একটা একটা করে বানানো পিঠা তেলে দিয়ে দিতে হবে। তারপর ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এই পিঠা গরম অবস্থায় খেতে খুবই মজা লাগে।  এই পিঠা  ময়দা দিয়ে বানালে বেশি মচমচা হয়।  এই পিঠা ছোটো বড় সকলের পছন্দ হয়। এই পিঠা অনেক দিন পযর্ন্ত স্টোর করে রাখা যায়। এই পিঠা  দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করা যায় । কারণ পিঠা তৈরি আগে থেকে করা থাকে। এই পিঠা বিয়ে বাড়িতে বেশি দেয়া হয়ে থাকে। এই পিঠা শীত ও গরম সব সময় খাওয়া যায়। সবাই এই পিঠা খেতে বেশি ভালোবাসে। তবে যারা মিষ্টি পিঠা খেতে পছন্দ করে না তারা চাইলে এটা ঝাল করে খেতে পারে। কারন এটা ঝাল করে তৈরি করা যায়। এতে লাগে মাংস, মরিচ, পেয়াজ, গোলমরিচ, আদা,রসুন, জিরা, তেল, লবন পানি। তারপর ভালো করে রান্না করে নিতে হবে । তারপর গরম পানি দিয়ে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে তারপর ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিতে হবে তার মধ্যে পুর দিয়ে মুখটা বন্ধ করে দিতে হবে। তারপর কড়াইতে তেল গরম করে নিতে হবে তার মধ্যে পিঠা দিয়ে দিতে হবে তারপর সুন্দর করে ভেজে নিতে হবে। তাহলেই  তৈরি হয়ে যাবে মচমচা মাংসের পুলি পিঠা। এটা অনেক দিন সংগ্রহ করে রাখা যায়। এটা ঝাল লাভারদের জন্য খুবই পছন্দের একটা পিঠা। তবে এটা সবাই খেতে পারে। 

★নকশি পুলি পিঠা তৈরির প্রনালিঃ

নকশি পিঠা অনেক ভাবে তৈরি করা যায়। এটা নারকেলের পুর দিয়ে বা পুর ছাড়া বা মাংসের পুর দিয়ে আরো অনেক কিছু দিয়ে তৈরি করা যায়। তবে পুর দিয়ে বানালে খেতে বেশি ভালো লাগে। এই পিঠা বানাতে হলে প্রথমে নারকেল, দুধ, গুড়, চিনি, লবন, এলাচি, দারচিনি, তেজপাতা, গুড়া দুধ এগুলো দিয়ে তৈরি করে নিতে হবে নারকেলের পুর। তারপর পাতিলে পানি গরম করে নিতে হবে তারপর গরম পানিতে আটা বা চালের গুঁড়ি দিয়ে দিতে হবে কিছুখন জ্বাল করার পার আটা নামিয়ে নিতে হবে। তারপর ভালো করে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে। তারপর ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিতে হবে তার মধ্যে পুর দিয়ে সুন্দর করে নকশা তৈরি করে নিতে হবে এভাবে অনেক গুলো পিঠা তৈরি করে নিতে হবে তারপর একটা প্যানে পরিমান মতো তেল দিয়ে দিতে হবে কিছুখন জ্বাল করে নিতে হবে তারপর একটা একটা করে বানানো পিঠা তেলে দিয়ে দিতে হবে। তারপর ভালো করে ভেজে নিতে হবে।  যদি আবার  কেউ ঝাল খেতে চায় তাহলে এটা ঝাল করে তৈরি করা যায়। এজন্য লাগবে সামান্য কিছু উপকরণ যা আমাদের সবার বাড়িতে থাকে। আজ ঝাল নকশা  পুলি পিঠা তৈরি করব এজন্য দরকার হবে মাংস, মরিচ, পেয়াজ, গোলমরিচ, আদা,রসুন, জিরা, তেল, লবন পানি। তারপর ভালো করে রান্না করে নিতে হবে । তারপর গরম পানি দিয়ে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে তারপর ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিতে হবে তার মধ্যে পুর দিয়ে মুখটা বন্ধ করে দিতে হবে। তারপর কড়াইতে তেল গরম করে নিতে হবে তার মধ্যে পিঠা দিয়ে দিতে হবে তারপর সুন্দর করে ভেজে নিতে হবে। তাহলেই  তৈরি হয়ে যাবে মচমচা মাংসের পুলি পিঠা। আসলে নকশা পুলি পিঠা বিভিন্ন ভাবে তৈরি করা যায় সেটা ঝাল বা মিষ্টি হক।এই পিঠা বেশি তৈরি করা হয় উৎসবের সময়। সেটা বিয়ে বা পূজা বা ঈদ বা অনুষ্ঠান হতে পারে। এ পিঠা যেকোনো আয়োজনে তৈরি করা যায়।  এটা দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও খুবই মজা লাগে। এই পিঠা ছোটো বড় সকলেই খেতে পারে। এই পিঠা একটা ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রাচীন কা থেকে তৈরি হয়ে আসছে। আজও মানুষ তৈরি করে এই পিঠা। 


★রসপুলি পিঠা তৈরির রেসিপিঃ

রসপুলি পিঠা আগের  মতো করেই তৈরি করতে  হয়। প্রথমে

নারকেল, গুড়, দুধ, দারচিনি,  এলাচি, লবন, গুড়া দুধ, সামান্য চিনি এগুলো দিয়ে  পুর তৈরি করে নিতে হবে।  তারপর একটা প্যানে দুই কাপ পানি দিতে হবে।  পানি  গরম হলে তাতে সামান্য লবন দিতে হবে তারপর চালের গুঁড়ি দিয়ে দিতে হবে তারপর ভালো করে নারাচারা করতে হবে। তারপর  নামিয়ে নিতে হবে পাতিল থেকে  তারপর ভালো করে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে। আটা দিয়ে ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিয়ে তার মধ্যে পুর দিয়ে সুন্দর করে নকশা করে দিতে হবে। তারপর খেজুরের রসে পিঠা গুলো  ডুবিয়ে দিয়ে  মিনিট পাচেক রান্না করলেই  তৈরি হয়ে যায় রসপুলি পিঠা।  আগে মানুষ রস দিয়ে এধরণের পিঠা তৈরি করে খেত। এই পিঠা  শীত কালে বেশি তৈরি করা হয়। 


★পুলি পিঠা কোন জায়গায় বেশি বানানো হয়ঃ

পুলি পিঠে এক ধরনের পিঠা  জাতীয়  খাবার যা বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয়। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পিঠাসমূহের মধ্যে পুলি পিঠা  অন্যতম। খুলনা  এলাকায় এটিকে  কুলি পিঠা বলা হয়। এই পুলি পিঠাকে একেক এলাকায় একেক নামে ডাকা হয়। এই পিঠা পশ্চিম অঞ্চলের অনেক জায়গায় তৈরি করে খাওয়া হয়। এর  অনেক নাম  রয়েছে । পুলি পিঠা বাংলাদেশের অধিকাংশ  অঞ্চল জুড়ে তৈরি করা হয়। তবে এর নাম অঞ্চল ভেদে  ভিন্ন। একেক  অঞ্চল একেক রকম  হয়। এই পিঠা ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, সিলেট, দিনাজপুর  আরো অনেক  অঞ্চল তৈরি করা হয়। এটি একটি সুস্বাদু ও জনপ্রিয় পিঠা। এর চাহিদা অনেক  রয়েছে। 


 ★ভর্তা পুলি পিঠা তৈরির রেসিপিঃ

 ভর্তা পিঠা  ব্রাম্মনরাড়িয়ার একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা।  এ পিঠা তৈরি করতে প্রথমে লাগবে শুটকি। তারপর শুটকি  ভালো করে সব ধরনের মশলা দিয়ে সুন্দর করে রান্না করতে হবে। সাথে পেয়াজ কুঁচি দিতে হবে। তারপর একটা প্যানে দুই কাপ পানি দিতে হবে।  পানি  গরম হলে তাতে সামান্য লবন দিতে হবে তারপর চালের গুঁড়ি দিয়ে দিতে হবে তারপর ভালো করে নারাচারা করতে হবে। তারপর  নামিয়ে নিতে হবে পাতিল থেকে  তারপর ভালো করে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে। আটা দিয়ে ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিয়ে তার মধ্যে মাছের পুর দিয়ে সুন্দর করে নকশা করে দিতে হবে। তারপর ৩-৪ মিনিট ভাপ দিয়ে রান্না করে নিতে হবে। আর এভাবেই তৈরি করা হয় ভর্তা পুলি পিঠা।  এই পিঠা খেতে বিভিন্ন এলাকার মানুষ আসে ব্রাম্মনবাড়িয়ায়। 


  ★সুইচ রোল পুলি পিঠা রেসিপিঃ

সুইচ রোল পুলি পিঠা বানাতে লাগবে নারকেল, গুড়, দুধ, দারচিনি,  এলাচি, লবন, গুড়া দুধ, সামান্য চিনি এগুলো দিয়ে  পুর তৈরি করে নিতে হবে।  তারপর একটা প্যানে দুই কাপ পানি দিতে হবে।  পানি  গরম হলে তাতে সামান্য লবন দিতে হবে তারপর চালের গুঁড়ি দিয়ে দিতে হবে তারপর ভালো করে নারাচারা করতে হবে। তারপর  নামিয়ে নিতে হবে পাতিল থেকে  তারপর ভালো করে আটার ডো বানিয়ে নিতে হবে। আটা দিয়ে ছোটো করে রুটি বানিয়ে নিয়ে তার মধ্যে পুর দিয়ে রোল করে নিতে হবে  তারপর একটা পাতিলে পানি দিতে হবে তারপর গরম করে নিতে হবে তারপর একটা ছাকনি দিয়ে দিতে হবে তারপর উপর রোল করা পিঠা গুলো দিয়ে দিতে হবে তারপর কিছুখন জ্বাল দেয়ার পর রুটি গুলো নামিয়ে নিতে হবে তারপর কিছুটা ঠান্ডা করার  পর রুটি গুলো রোলের মতো করে কেটে নিতে হবে।  অবশেষে তৈরি হয়ে গেল আমাদের সুইচ রোল পুলি পিঠা  এই পিঠা খেতে খুবই ভালো লাগে। এটা মিষ্টি কমিয়ে বা বাড়িয়ে দিলে সব বয়সের মানুষই  এই পিঠা খেতে পারবে। এটা সম্পূর্ণ নতুন এক ধরনের পিঠা  যা সচারাচর বেশি দেখা যায় না। তবে এটা খেতে খুব ভালো লাগে  সকলে পছন্দ করে। 


আমাদের দেশে অনেক রকমের পিঠা রয়েছে।  তবে এই পিঠার অনেক নাম রয়েছে। একেক পিঠার একেক নাম রয়েছে। অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অনেক বেশি পিঠা উৎসব হয়। বহু বছর আগে থেকে বাঙালিরা এই পিঠা উৎসব  করে  আসছে এবং  আজও এই উৎসব চলমান। বাঙালির ঘরে ঘরে  আজও পিঠা  উৎসবের আমেজ রয়েছে। তবে শীত কালে এই উৎসব  বেশি করা হয়। বাঙালির ঘরে ঘরে তখন একই উৎসব  পিঠা উৎসব। আমাদের দেশে মতো আর কোনো খানেই এই পিঠা উৎসব দেখা যায় না। নতুন ধান আসলে সকল মানুষ আনন্দে ভরে ওঠে পিঠা উৎসবের খুশিতে  আর তখন থেকেই শুরু হয় পিঠা খাওয়ার আমেজ আর এ আমেজ পুরো শীত জুড়ে থাকে। তাছাড়া বাঙালি পিঠা তৈরি করতে ও খেতে  খুব ভালবাসে। 


Post a Comment

0 Comments